'প্রো-ভিসি'র তকমা চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি ঢাবি ট্রেজারারের
শুধু 'কোষাধ্যক্ষ' পরিচয়ে মন ভরছে না! এবার 'প্রো-ভিসি'র তকমা চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি ঢাবি ট্রেজারারের
নিজস্ব প্রতিবেদক | বঙ্গদর্শন ডেস্ক
ধূলোপড়া ফাইল আর লাখো-কোটি টাকার হিসাব-নিকাশ—'কোষাধ্যক্ষ' বা ট্রেজারার বলতেই চোখের সামনে এমন এক রাশভারী ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু এবার সেই চিরাচরিত পরিচয়ের গণ্ডি পেরোতে চাইছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বর্তমান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তাঁর মতে, শুধুই 'ট্রেজারার' পদবিতে যেন ওজন কম পড়ছে! তাই নিজের নামের পাশে এবার 'প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেজারার)' পদবির সিলমোহর দেখতে চান তিনি। আর এই দাবি তুলেই সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বরাবর রীতিমতো একখানা চিঠিও পাঠিয়ে বসেছেন এই অধ্যাপক।
🔥 গালভরা এই নাম বদলের নেপথ্যে কী যুক্তি?
দাবির সপক্ষে ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর যুক্তিও বেশ চমকপ্রদ। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে জানান, সেখানে উপাচার্যরাই সব দণ্ডমুণ্ডের কর্তা, প্রো-ভিসিদের হাতে সেভাবে কোনো কাজই দেওয়া হয় না। তাঁর দাবি, প্রস্তাবিত এই নাম পরিবর্তনে তাঁর দায়িত্ব, বেতন-ভাতা বা প্রশাসনিক ক্ষমতায় একচুলও হেরফের হবে না। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তাঁর বিদ্যমান সব ক্ষমতাই অটুট থাকবে। শুধু এই নাম পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই নাকি পদটির আসল তাৎপর্য এবং কার্যকারিতা আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে!
বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে যেখানে গবেষণার মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে মাথা ঘামানোর কথা, সেখানে পদবির এই 'ওজন' বাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা নিয়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে কানাঘুষা। সব সুযোগ-সুবিধা ও ক্ষমতা একই রেখে কেবল নাম বদলের এই তোড়জোড়ে অনেকেই ভুরু কুঁচকাচ্ছেন।
পাঠকের কাছে প্রশ্ন:
ক্ষমতা আর সুযোগ-সুবিধা যদি একই থাকে, তবে শুধু এই গালভরা নাম পরিবর্তনের পেছনে কি শুধুই পদমর্যাদার মোহ? নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো মনস্তাত্ত্বিক সমীকরণ? আপনার কী মনে হয়?
Generate Social Media Card